অন্যদিকে, পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল এবং মাহফুজুর রহমানকে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।
মামল সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। শাহপরান মাজার থেকে ফেরার পথে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে তাদের জিম্মি করে ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় কয়েকজন যুবক। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও দুইজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ও র্যাবের অভিযানে তিন দিনের মধ্যে আটজন আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তে ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়। পরে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।
মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।
Leave a Reply